অপারেশন সার্চ লাইটের নামে পরিকল্পিত গণহত্যা

২৫ মার্চ, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতটি ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। ওই রাতে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে তারা মেতে ওঠে পরিকল্পিত গণহত্যায়। পাকিস্তানি শাসকদের ধারণা



ঢাকায় পাকিস্তানের ভাগ্য নির্ধারণের বোঝাপড়া চূড়ান্ত পর্বে

২২ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ আজও সরকারী-বেসরকারী বাসভবন এবং যানবাহনসমূহে যথারীতি কালো পতাকা উত্তোলিত ছিল। স্বাধীনতার দাবিতে বিক্ষুব্ধ মানুষের সভা, শোভাযাত্রা এবং গগনবিদারী স্লোগানে রাজধানীর আকাশ-বাতাস মুখরিত ছিল। যে সকল অফিস খোলা রাখার জন্য বঙ্গবন্ধু

গোপন বৈঠকে চূড়ান্ত হল গণহত্যার নীলনকশা

২১ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ একাত্তরের এই দিন সকালেই বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে পঞ্চম দফা বৈঠক করেন। চট্টগ্রামের পলো গ্রাউন্ডে ন্যাপ প্রধান আবদুল হামিদ খান ভাসানী বিশাল এক জনসভায় পরিষ্কার

বিভিন্ন স্থানে সেনা ও বিহারিদের সঙ্গে বাঙালির তুমুল সংঘর্ষ

২০ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ একাত্তরের ২০ মার্চ ছিল ঘটনাবহুল উত্তেজনাপূর্ণ একটি দিন। আন্দোলনে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংবাদপত্রে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘একটি স্বাধীন দেশের মুক্ত নাগরিক হিসেবে বেঁচে

ভোর থেকে গভীর রাত অবধি মিছিল-স্লোগানে মুখর বত্রিশ

১৮ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ উত্তাল-অগ্নিগর্ভ একাত্তরের রক্তক্ষরা এই দিনে দেশব্যাপী সশস্ত্র সংগ্রামের প্রস্তুতি চলছিল। একদিকে সংগ্রামের প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে চলছিল বঙ্গবন্ধু ও ইয়াহিয়া খানের আলোচনা। একপর্যায়ে সবাই বুঝতে পারে যে আলোচনার নামে চলছে সময়ক্ষেপণ।

আমার জন্মদিনই কি, আর মৃত্যুদিনই কি?

১৭ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ আজ বঙ্গবন্ধুর ৯৬তম জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এইদিন ছিল বঙ্গবন্ধুর ৫২তম জন্মদিন। ১৯৭১-এর ১৭ মার্চ দিনটি আরও কিছু কারণেও বিশেষ দিন হিসাবে বিবেচিত। সেদিন ছিল বুধবার। একদিকে মহান নেতার জন্মদিন, অন্যদিকে

রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তাল

১৬ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ ১৬ মার্চ ১৯৭১। অবস্থাটা এমন দাঁড়ায় যে, এখন আর বাঙালি জাতির পরিপূর্ণ স্বাধীনতার আন্দোলনকে বিচ্ছিন্নতাবাদের চোরাবালিতে নিক্ষেপ করা সম্ভব নয়। যারা বঙ্গবন্ধুর কর্মসূচিকে বিচ্ছিন্নতাবাদের ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করতে সচেষ্ট ছিলেন,

ঢাকাসহ সারাদেশে কালো পতাকা ও অসহযোগ

১৫ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ আন্দোলনে গত কয়েকদিনে হানাদারদের গুলিতে নিহত বীর শহীদদের উদ্দেশে শোক এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে তোয়াক্কা না করে একতরফাভাবে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে কালো পতাকা উত্তোলিত থাকে।

১৪ মার্চ আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলক

১৪ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ ১৯৭১এর ১৪ মার্চ ছিল রোববার। অন্যদিকে আজ ছিল অসহযোগ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্যায়ের সপ্তম দিবস। সামরিক সরকার কর্তৃক গতকাল জারি করা ১১৫ নং সামরিক ফরমানের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীসহ সারা দেশের মানুষ

বিদেশি নাগরিকদের ঢাকা ত্যাগের হিড়িক

১৩ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ একাত্তর সালের এ সময়টা ছিল চরম উত্তাপ ছড়ানো। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমেই বিস্ফোরণের দিকে ধাবমান। যে কোন সময়েই ঘটে যেতে পারে বড় ধরণের অঘটন। এ উপলব্ধি থেকে বিদেশিদের ঢাকা ছাড়ার

যেভাবে শাপলা জাতীয় ফুল হল

১২ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ অগ্নিঝরা মার্চের আজ ১২তম দিন। একাত্তরের এদিন চিরপরিচিত শাপলাকে আমাদের জাতীয় ফুল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিল্পী কামরুল হাসানের আহ্বানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে আয়োজিত শিল্পীদের এক সভায় এ ঘোষণা

বরিশাল ও কুমিল্লায় পুলিশের গুলিতে নিহত ৭, আহত শতাধিক

১১ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ ১১ মার্চ, ১৯৭১। ১৯৭১ সালের রক্তঝরা মার্চের উত্তাল অসহযোগ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্যায়ের আজ ছিল চতুর্থ দিবস। সারাদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর ডাকে শান্তিপূর্ণভাবে সর্বাত্মক অসহযোগ পালন করে। গত কয়েক দিন ধরেই বঙ্গবন্ধুর

অগ্নিঝরা মার্চঃ কালো পতাকার শহরে পরিণত ঢাকা

১০ মার্চ, বিশেষ প্রতিবেদনঃ আজ অগ্নিঝরা মার্চের দশম দিন। ১৯৭১ সালের আরও একটি উত্তাল দিন। অগ্নিগর্ভ বিক্ষুব্ধ বাংলায় বিক্ষোভের তরঙ্গ প্রবহমান ছিল টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। দেশজুড়ে বঙ্গবন্ধুর ডাকা অসহযোগ আন্দোলন চলছে। কোর্ট, কাছারি, অফিস-আদালত

অগ্নিঝরা মার্চ; গোপন অস্ত্রের প্রশিক্ষণ, গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি

৯ মার্চ, নিজস্ব প্রতিবেদনঃ একাত্তরের এই দিনে ঢাকা শহর মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিল। যেখানে সেখানে জটলা, মিছিল, মিটিং চলতেই থাকে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে যুবকরা ঐক্যবদ্ধ হতে

সশস্ত্র প্রশিক্ষণ শুরু, অন্যদিকে হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা চূড়ান্ত

৮ মার্চ, নিজস্ব প্রতিবেদনঃ আজ থেকে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে যায়। আজও দিনরাত ঝটিকা মিছিল সমগ্র শহর প্রদক্ষিণ করে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় তাজউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সকল কার্যাবলীর