জাতির পিতা

জাতির পিতা চিরঞ্জিত সাহা এক লক্ষ নয়, দুই লক্ষ নয়, ত্রিশ লক্ষ প্রান বঙ্গবন্ধু তোমার নেতৃত্বে তাঁরা জীবন করেছে দান। তোমার একটি ভাষণ… শত টাকা নয়, লক্ষ টাকা নয়, নয় কোটি টাকা, তোমার জন্য



জীবন খেলা

জীবন খেলা পাখি রাজা হবে বদল, বদলাবে কাহিনী এটাই চিরন্তন, তুমিও জানো, আমিও জানি। তবুও চলে শাসন তবুও চলে শোষন থামতে চায় না, থামানো যায় না মিথ্যে বুলির ভাষণ। হাতে বাঁধা কিছুটা সময় এতো

চন্দ্রাবতী

চন্দ্রাবতী মোঃ রমজান চন্দ্রাবতী- তুমি স্বপ্ন হয়ে কেন তন্দ্রা মাঝে আসো? কেন আকস্মিক মন্দ মনে প্রেমের ছন্দ জাগিয়ে হৃৎপিণ্ডে কম্পন জাগানিয়া হাসি হাসো? চন্দ্রাবতী- মনে প্রেমের মন্দা বাজারে রাঙা পায়ের পদার্পণে কেন চাঙা করে

আমিও ছিলাম রটনা

” আমিও ছিলাম রটনা “ আসাদ ইকবাল সুমন একবার দক্ষিনে যাই উত্তরে ঘুরে হয় ফেরা পশ্চিমে ঘোর বর্ষা আর পূর্বেতে কঠিন খরা , ও পাখি উড়বে কোথায় ডানা রেখে গেছে মরতে মরতে মানুষ সহসাই

নারী

” নারী “ দুঃখু সুমন তোমার ভরা তনু-মন ছুঁয়ে-ছেনে- প্রকৃতির আদিম সত্যি গেছি জেনে, বন্দীত্ব ছাড়া কিছুই চাওনি সংসারী তুচ্ছ বন্ধনের নিশ্ছিদ্র খাঁচা জিনে। চেয়েছি তোমার মুক্ত আকাশ হতে- তোমার উড়ুক্কু সৌন্দর্য আস্বাদিতে, আমার

প্রশ্ন?

” প্রশ্ন? ” সারতিজ রিদত্তয়ান অয়ন আকাশ ক্রমাগত রূপ নিচ্ছে রেড ওয়াইনের তুমি ক্রমশ্য খেলছো তার বিশালতার সাথে মেয়ে, শুধু তোমার নামটা বল এর পর আড়মোড়া ভেঙ্গে জেগে উঠবে নাগরিক র্সূযটা তোমার আমার ব্যস্ততায়

স্বাধীনতার নিঃশ্বাস

‘স্বাধীনতার নিঃশ্বাস’ সঞ্জয় নীল শ্মশানের মাঝখানে একটা শুকনো খুলি; পাশে কিছু সবুজ ঘাস আর তার সাথে আছে একটা পুরান তরবারি, কিছুটা দূরে উন্নত বসতি আর অসংখ্য হাসিমাখা মুখ, কিন্তু, কেউ জানেনা এই অপরিচিত খুলির

আব্বার আকাশনীল শার্ট

আব্বার আকাশনীল শার্ট আসাদ ইকবাল সুমন তখনো তপ্ত দিনের দিকেই যাচ্ছিলো সময় হুল ফুটায়ে ঢেলে দিয়ে বিষ ছটফট যন্ত্রনায় আমি যখন কাঁপছিলাম তখন কৈশোর শেষ আর নদীর বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে হলো কালভার্ট অথচও সে

বাক্যবিলাস-৭

” বাক্যবিলাস-৭ “ সঞ্জয় নীল -কিছু শুনতে পাচ্ছ ? >কি ? -মনের কথা । >মনের কথা ! কই কিছু তো শুনছি না । -তোমার মনের কান দিয়ে শোন, দেখবে শুনতে পাবে । >কই দেখি

চলতে চলতি পথের সময় -২

চলতে চলতি পথের সময় -২ আন্দোলন মিঠুন চক্ষু খোলা থাকলে ,মেয়াদের দ্যাখতে কষ্ট হয় কানে শুইন্যা থাকলে , হ্যাঁগো কথা কইতে সমস্যা হয় । আমি বাসে মহিলা বা প্রতিবন্দি সীটে বসি না.. আমি অন্যন্যা

অপেক্ষা

‘ অপেক্ষা ‘ সঞ্জয় নীল কিছু হবে বলেই অপেক্ষা, ক্লান্ত অবসন্ন দেহ তবুও নির্ঘুম চোখে ব্যাকুলতা, দেখা হবে, সে আসবে ঠোঁটের কোনায় চাঁদ হাসবে, আনন্দে ভাসবে, ঝলমলে আলো সাজবে; ইচ্ছেঘুড়ি ডানা মেলে আকাশের মেঘ

কালী-যাত্রা

কালী-যাত্রা আন্দোলন মিঠুন অন্তরের মইদ্দে কাইন্দা ওঠে অন্তর কুত্তার লাহান ঘেউ কইরা উঠে রক্তের দাগ। পশ্চিমের চান যহন মুখ তুইলা হাসে আসমান আমার ফাইটা পরে আন্ধারে; ফাডল ধরে বিন্নি চাউলে, ফাডল ধরে কইলযার ভিতর,

চলতে চলতি পথের সময় -১

চলতে চলতি পথের সময় -১ আন্দোলন মিঠুন পাঁয়ের কাছে চার-পাঁচটা ছাগল ছানা চুক-চুক করে দুধ খায়; বড় ঝোপের মতন আম গাছটার সাথে— ঝড়ে ভেঙ্গেঁ পরে গাছ। উড়ে যাওয়া জেট-বিমানের দৃষ্টি তল্লাশীতে বন্দী বিষাক্ত ফণা

রাতের তারা

‘রাতের তারা ‘ সঞ্জয় নীল কেমন আছ তুমি ? জানি ভাল নেই, তবুও উৎসুক আবেগের জানার স্প্রিহাকে দমাতে পারলামনা, জান, আমি না ভাল নেই, আগের মতো এখন আর হাসতে বা হাসাতে পারিনা, আর কাঁদতে

শহর কথা

‘ শহর কথা ‘ সঞ্জয় নীল প্রিয় শহর বদলে যাচ্ছে প্রতিদিন ল্যাম্পপোস্ট আর হেলোজেন লাইট পথ দেখায় ছায়া ফেলে রাস্তার বুকে, হাজারটা চোখ ছুটে চলে দিকবিদিক রোবটিক জীবনে পা ফেলা মেপে মেপে, যন্ত্রযানের প্রকান্ড