১০ সেপ্টেম্বর, ডেস্ক রিপোর্টঃ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি)-র মাধ্যমে ১৫শ’ গিগাবাইট পার সেকেন্ড ডাটা আদার প্রদান সম্ভব হবে।

আজ প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাবমেরিন ক্যাবল (এসএমডব্লিউ-৫) এবং এর ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধন করেন।
এসময় পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তারা ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন।

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশকে ডিজিটালাইজড করার যে পদক্ষেপ শুরু করেছিলেন এর মাধ্যমে তার একটি ধাপ পূর্ণ হলো।

শেখ হাসিনা বলেন, বিনাখরচে বাংলাদেশ আইআইজি’র সঙ্গে যুক্ত হতে ১৯৯১ ও ১৯৯৪ দু’বার সুযোগ পেয়েছিল তবে বিএনপি সরকার দেশের ‘তথ্য ফাঁস’ হয়ে যাবে এই অজুহাতে এই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। একটি অদক্ষ সরকারের অধীনে দেশ কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এটি তার সেরা নিদর্শন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল উন্নত ও দ্রুততর ইন্টারনেট সংযোগ পেতে জনগণের জন্য সহায়ক হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালী জেলায় এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন অনেকগুলো প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- কলাপাড়া সদর থেকে টিয়াখালী ঘাট বাজার ১৭৫ মিটার দীর্ঘ সেতু, রাঙাবালী উপজেলা কমপ্লেক্স এবং কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনের সম্প্রসারণ।

এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

রেলওয়ে মন্ত্রী মুজিবুল হক, চিফ হুইপ এ এস এম ফিরোজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম এবং ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গণভবনে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা মাহবুবুর রহমান এমপি এবং শাহজাহান মিয়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান এবং সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগী অনেক মানুষ পটুয়াখালী থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী ভারতের ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে দু’টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন। এই বিদ্যুৎ দেশের ১০টি উপজেলা এবং কিছু প্রকল্পে শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

বাসস।

Share

আরও খবর