১১ জানুয়ারি, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই জলদস্যু সুমন বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলে র‌্যাব দাবি করেছে। এ সময় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুখপাড়ারচর এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধ ঘটে। তবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় র‌্যাব জানাতে পারেনি।

উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একনলা বন্দুক দুটি, কাটা রাইফেল একটি, পাইপগান একটি ও বিভিন্ন ধরনের বন্দুকের ৩৯ রাউন্ড গুলি।

র‌্যাব-৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর সোহেল রানা প্রিন্স এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘জলদস্যু বাহিনী প্রধান সুমন বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুখপাড়ারচর এলাকায় অবস্থান করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি ওই এলাকায় অভিযানে যায়। এ সময় সুমন বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাবের ওপর গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ৪০ মিনিট বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে জলদস্যুরা পিছু হটে বনের গহীনে চলে যায়। পরে র‌্যাব সদস্যরা সেখানে তল্লাশি চালিয়ে তিনজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার ও বেশ কিছু অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করে।’

মেজর সোহেল রানা বলেন, ‘সকাল ৮টা ৪০ মিনিট থেকে ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি চলে। গোলাগুলি থেমে গেলে নদীখালে মাছধরা জেলেরা সেখানে এসে তিনজনকে সুমন বাহিনীর সদস্য বলে শনাক্ত করে।’

সুমন নামের এক যুবক নিজ নামে বাহিনী গড়ে তুলে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল বলে দাবি করেন র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

Share

আরও খবর