২০ জানুয়ারি, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ প্রতিরক্ষা নীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেছেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই নয়, বরং সামরিক শক্তির জন্য বৃহৎ শক্তিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামাই এখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নীতির মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।

নাইন ইলেভেনের পর প্রায় দুই দশক সময় ধরে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ঘোষণার মাধ্যমে সেই অবস্থান থেকে সরে আসার কথাই জানানো হলো।

নতুন প্রস্তাবিত সামরিক নীতি ঘোষণার পর জেনারেল ম্যাটিস বলেছেন, চীন বা রাশিয়ার মত পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হতে পারে- তাই তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে সামরিক শক্তি বাড়ানো উচিত।

তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রমেই রাশিয়া এবং চীনের মতো ক্ষমতাধর দেশগুলি থেকে হুমকির মুখোমুখি হচ্ছি। তারা স্বৈরাচারী মডেলের সাথে মিল রেখে একটি বিশ্ব তৈরি করতে চায় যা কিনা অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করবে।’

পরাশক্তি দেশগুলোকে হুমকি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আমাদের চ্যালেঞ্জ করেন, তাহলে সেটা হবে আপনাদের দীর্ঘতম ও বাজে দিন।’ ম্যাটিস মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বাড়ানো এবং অকারণ কাটছাঁট বন্ধের জন্য কংগ্রেসের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য এর আগেই তার প্রস্তাবিত বাজেটে সামরিক ব্যয় ১০ শতাংশ বা ৫৪ বিলিয়ন ডলার বাড়ানোর প্রস্তাব রেখেছেন। আর এই বরাদ্দের জন্য তিনি বিদেশি অনুদানের হার কমানোর প্রস্তাব রেখেছেন।

Share

আরও খবর