১৪ জানুয়ারি, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বিজি প্রেসে এখন প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুযোগ নেই। কিন্তু পরীক্ষার সময় কিছু অসাধু শিক্ষক সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দেয়।

রোববার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন কোনো স্কুলে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে শুধু শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নয়, ওই স্কুলকেই বাতিল করে দেওয়া হবে। এখন পরীক্ষার সময় শুধু শিক্ষার্থী নয়, শিক্ষকরাও মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না।

তিনি আরো বলেন, দেশে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য মেট্রোপলিটন, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক পৃথক মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি তৎপর রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম চলাকালীন কোনো শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না।

সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের (সুনামগঞ্জ-১) এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাসহ পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরো বলে, ইতোপূর্বে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত কিছু অসাধু শিক্ষককেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অপরাধীদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র আপলোডকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলা করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণেতা সংশ্লিষ্ট বোর্ডে উপস্থিত থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারীর ও পরিশোধনকারীর কাছ থেকে গোপনীয়তা রক্ষার শপথ এবং এ বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ বোর্ডের মডারেশন কক্ষে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

Share

আরও খবর