কয়েকদিন আগে বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহক একাউন্ট থেকে চলে গেল বেশ বড় অংকের টাকা। এই চক্রের মূল হোতা পিওতর বা পিটর যেই নামেই পরিচয় দিয়ে থাকেন না কেন তার মাসিক উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি টাকা। তাহলে বাংলাদেশে বেশ দীর্ঘ সময় অবস্থান কালে কী বিপুল পরিমাণ অর্থ যে সে এবং তার সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিয়েছে তা ধারণারও বাহিরে।

এরপর গাজীপুরে ডাচবাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ ডাকাতি করে নিয়ে গেল ব্যাংকের টাকা। আর গত দুই তিন ধরে তোলপাড় হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চুরি যাওয়া ১০০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে।

গতকাল সারা দিন ব্যাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাগন আশ্বস্ত করলেন এই অর্থ সবটাই ফিরিয়ে আনবেন বা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের মন এই কথায় আশ্বস্ত হতে চায় না, বরং মন উলটো জানতে চায় ২০১২ সালের হলমার্ক ৪০০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল সোনালী ব্যাংক থেকে তার কত টাকা সরকার ও ব্যাংলাদেশ ব্যাংক উদ্ধার করতে পেরেছে?

দেশের ভিতরে ঘটে যাওয়া এতবড় কেলেংকারির কোন সুরাহা যারা করতে পারল না, এমন কি হলমার্ক ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট আজ পর্যন্ত প্রকাশ করা হল না। তারা নাকি আন্তর্জাতিক অংগন থেকে এই টাকা ফিরিয়ে আনবেন, এই কথা শুনতে যত ভাল লাগে বিশ্বাস করতে বা আস্থা রাখতে ততটাই দূর্বলতায় ঢেকে যায় মন।

একদিকে বাংলাদেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আমরা আত্মতুষ্টিতে ভূগছি অন্যদিকে দায়িত্বহীনতা, অতি লোভ, লুটপাটের প্রতিযোগিতা সব মিলিয়ে লাভের গুড় পিঁপড়ায় খাচ্ছে।

মাহফুজুল ইসলাম সাইমুম।
তারিখঃ ১১-০৩-২০১৬।

Share

আরও খবর