১৭ ডিসেম্বর, স্পোর্টস ডেস্কঃ রোনালদোর গোলে গ্রেমিওকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলল রিয়াল মাদ্রিদ। এর মধ্য দিয়ে ১৭ বছরের অপ্রতিরোধ্য রেকর্ডটা নিজেদের করে রাখল জিদান শিষ্যরা। দেশের বাইরে কোন ফাইনালে না হারার রেকর্ড। এই সময়ে ১২টি ফাইনাল খেলে সবগুলোতেই শিরোপার হাসিতে মেতেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

ক্লাব বিশ্বকাপে সর্বাধিক তিনটি শিরোপা জয়ের রেকর্ড ছিল বার্সেলোনার। লা লিগার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের রেকর্ডে ভাগ বসানোও হল ‘লস ব্লাঙ্কোস’দের। সেইসঙ্গে টানা দুবার এই শিরোপা জয়ের রেকর্ডও করা হল জিনেদিন জিদানের মাদ্রিদ জায়ান্টদের। গত বছর ফাইনালে জাপানের কাশিমা অ্যান্টলার্সকে হারিয়ে বিশ্বমুকুট জিতেছিল রিয়াল।

এরমধ্যে দিয়ে চলতি বছর পঞ্চম শিরোপার স্বাদ পেল রিয়াল। লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উয়েফা সুপার কাপ ও স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জেতা ছিল। যোগ হল ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ।

১৭ বছরের অপ্রতিরোধ্য যাত্রায় দেশের বাইরে ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল খেলে জিতেছে রিয়াল। প্রতিপক্ষ ছিল বেয়ার লেভারকুসেন, জুভেন্টাস ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ (দুবার)। সমান সংখ্যকবার উয়েফা সুপার কাপও খেলা হয়েছে। ফেইনুর্দ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও সেভিয়া (দুবার), কেউই শিরোপার স্বাদ থেকে বঞ্চিত করতে পারেনি রিয়ালকে। ব্রাজিলের দল গ্রেমিও’ও পারল না।

আবুধাবির জায়েদ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে আল-জাজিরাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছিল লস ব্লাঙ্কোসরা। জিদানের দলকে সেই ম্যাচে গোলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছিল। শনিবার শিরোপার মঞ্চেও একই অভিজ্ঞতা হল।

তবে গ্রেমিওর চিন্তার কারণ হওয়ার কথা যার, সেই পাঁচটি ব্যালন ডি’অর জয়ী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোই কাজের কাজটা করে দিয়েছেন। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৫৩ মিনিটে রিয়ালকে একমাত্র গোলটি এনে দেন সিআর সেভেন। পাল্টা আক্রমণে এগোচ্ছিলেন, কিন্তু প্রতিপক্ষে বক্সের বাইরে বাজে ফাউলের শিকার হন। ফ্রি-কিকে জাল খুঁজে নিতে ভুল করেননি রোনালদো। সেটিই জয়সূচক গোল হয়ে থাকল।

সেমিতে লক্ষ্যভেদ করেই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোরার হয়েছেন রোনালদো। লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের চেয়ে এক গোল বেশি তার। সংখ্যাটি আরেকধাপ বাড়িয়ে নিলেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।

Share

আরও খবর