২০ মার্চ, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ৩টি জঙ্গি আস্তানার সন্ধান এবং ৪ জঙ্গি নিহত হওয়ার পর সীতাকুণ্ড এবং মিরসরাই উপজেলাকে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে ।

এই দুই উপজেলায় আরও জঙ্গি আস্তানা থাকতে পারে এই আশঙ্কায় কৌশলী অনুসন্ধানের পাশাপাশি সব বাড়ির মালিককে ভাড়াটিয়াদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে ৩ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে পুলিশের।

চট্টগ্রামের জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম জানান, বিদেশি এবং ঢাকা চট্টগ্রাম মহসড়ককে টার্গেট করেই জঙ্গিরা সীতাকুণ্ড এবং মিরসরাই উপজেলার গ্রামাঞ্চলে ঘাঁটি তৈরি করেছিলো। পুলিশ এ ব্যাপারে এখন কঠোর অবস্থানে । দুই উপজেলার তিনটি জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের সফল অভিযানের পর এই অঞ্চলে আর কোন জঙ্গি আস্তানা রয়েছে কি-না কিংবা ভাড়াটিয়ার ছদ্মবেশে জঙ্গিরা গ্রামের কোথাও অবস্থান করছে কী না এ ব্যাপারে পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া দুই উপজেলায় বাড়ির মালিকদের তাদের ভাড়াটিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পুলিশকে জানাতে ৩ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে এলাকায় মাইকিং করে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিন দিনের মধ্যে তথ্য না দিলে এবং কোন বাড়িতে জঙ্গি বা জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মাইকিংয়ে জানানো হচ্ছে।

অপরদিকে সীতাকুণ্ডের সাধনকুঠি থেকে বোমা, গ্রেনেড ও বিস্ফোরকসহ আটক জঙ্গি দম্পতি জহিরুল ইসলাম জসিম এবং তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা আরজিনাকে দুই মামলায় ১২ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশের বিশেষ টিম।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাহবুব মিল্কী জানান, জঙ্গি দম্পতি জিজ্ঞাসাবাদে এখনো মুখ খুলেনি। তাদের কাছ থেকে নতুন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, জঙ্গি দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশের ছয়টি সংস্থা ও ইউনিটের পৃথক টিম। এগুলো হল কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, পিবিআই, পুলিশ সদর দপ্তরের একটি টিম, পুলিশের বিশেষ শাখার একটি টিম, সিএমপি এবং জেলা পুলিশের বিশেষ টিম।

Share

আরও খবর