১ জুলাই, স্পোর্টস ডেস্কঃ বাল্য প্রণয়িনী আনতোনেল্লা রোকুজ্জোর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি। শুক্রবার আর্জেন্টিনায় নিজ শহর রোজারিওতে আয়োজিত মেসির এই বিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছে গোটা বিশ্বে।

বর্তমান বিশ্বসেরা খেলোয়াড়ের এই বিয়েটিকে ঘিরে গণমাধ্যমের উৎসাহের কমতি ছিল না। দুই সন্তানের জননী রোকুজ্জোর সঙ্গে এই বিয়ের অনুষ্ঠানটিকে ‘শতাব্দীর সেরা বিয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংবাদ মাধ্যমগুলো। এ সময় আপ্লুত হয়ে মেসি শুধু বলেন, ‘আমি পেরেছি’।

আনন্দঘন এ অনুষ্ঠানে নবদম্পতি জুটি ছিলেন বেশ নির্ভার এবং সুখী চেহারা নিয়ে রাজকীয়ভাবে লালগালিচার ওপর হেঁটে বিবাহ অনুষ্ঠানে হাজির হন। একটি হোটেল-কাম কেসিনোতে আয়োজিত বিয়ের এই অনুষ্ঠানে এ সময় আমন্ত্রিত অতিথির পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন শত শত সাংবাদিক।

এ সময় রোকুজ্জোর পরণে ছিল স্প্যানিশ ডিজাইনার রোজা ক্লারার ডিজাইনে তৈরী আটোশাটো একটি গাউন। মেসির পরণে ছিল সাদা শার্টের ওপর স্যুট-প্যান্ট।

২৬০ জন আমন্ত্রিত অতিথির সামনে পাত্র-পাত্রীর আসনে এই জুটির সঙ্গে ছিলেন তাদের দুই সন্তান থিয়াগো (৪) ও মাতেও (১)। উল্লেখযোগ্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন পপ তারকা সাকিরা ও তার স্বামী মেসির সতীর্থ জেরার্ড পিকে, বার্সেলোনা স্ট্রাইকার নেইমার ও লুইস সুয়ারেজ, সাবেক বার্সেলোনা তারকা বর্তমানে চেলসি সুপার স্টার চেজে ফ্যাব্রিগাস, ম্যানচেস্টার সিটির আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সার্জিও এগুইরোসহ নামী-দামী ফুটবলাররা।

আলোচিত এই জুটির হাতে হাত রেখে পথচলার শুরুটা সেই শৈশব থেকে। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে রোকুজ্জোর-মেসির প্রথম দেখা। তিনি ছিলেন মেসির ঘনিষ্ট বন্ধুর আত্মীয়।

১৩ বছর বয়সে আর্জেন্টিনা ছেড়ে স্পেনে পাড়ি জমান মেসি। কিন্তু রোকুজ্জোর সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট ছিল। ৩০ বছর বয়সী মেসি ও ২৯ বছর বয়সী রোকুজ্জো দীর্ঘদিন ধরে এক ছাদের নিচেই ছিলেন। ২০১২ সালে এই জুটির ঘর আলো করে আসে প্রথম সন্তান থিয়াগো। ২০১৫ সালে জন্ম নেয় দ্বিতীয় সন্তান মাতেও।

গ্রিনিজ মান সময় ২২টায় সিটি সেন্টার ক্যাসিনোতে শুরু হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। পুরো কর্মকান্ডটিই সম্পন্ন হয়েছে ভেন্যুর ভেতর। এ সময় আমন্ত্রিত অতিথিদেরও সেখানে থাকার ব্যবস্থা করা হয়।

Share

আরও খবর