১১ মার্চ, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পিনপতন নিরবতায় ১৯৭১ সালের মহান মুদ্ধিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম বর্বরতার সচিত্র প্রতিবেদন দেখলেন জাতীয় সংসদ সদস্যরা।

শনিবার জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন নিয়ে এমন আবহ সৃষ্টি হয় জাতীয় সংসদে।

আজ অধিবেশন শুরুর পর পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতায় নিহতদের স্মরণে ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন সরকার দলীয় জোটের শরিক জাসদের সংসদ সদস্য শিরীন আখতার।

শিরীন আখতারের দাবি উত্থাপনের পর ফ্লোর নিয়ে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২৫ মার্চই শুধু নয়, এর পথ ধরেই এ দেশে গণহত্যা শুরু হয়েছিল। এখানে অনেক সংসদ সদস্য আছেন, যারা যুবক, একাত্তরের সেই ভয়াল চিত্র তারা দেখেননি। এখানে আলোচনা হবে। মাননীয় স্পিকার আপনার অনুমতি নিয়ে আমি ওই সময়কার কিছু ছবি-ভিডিও দেখাতে চাই যেগুলো বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচারিত হয়েছিল। সেগুলো দেখাতে চাইছি।

এরপর স্পিকার অনুমতি দিলে সচিত্র প্রতিবেদনগুলো সংসদের বিভিন্ন মনিটরে প্রায় ১৫ মিনিটের মতো প্রদর্শিত হয়। এতে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার বিভিন্ন স্থিরচিত্র, ভিডিও চিত্র দেখানো হয়। একই সঙ্গে স্থান পায় শরণার্থীদের দেশ ত্যাগসহ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন বর্বর গণহত্যার চিত্র।

সচিত্র প্রতিবেদনের শুরুতে ৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের ছবি দেখানো হয়। প্রতিবেদনে ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিও দেখানো হয়।

সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় সংসদ নেতা গালে হাত দিয়ে মনিটরের দিকে অপলক তাকিয়ে থাকেন। পিনপতন নিরবতায় এসব চিত্র প্রত্যক্ষ করেন অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত সবাই। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কয়েকবার চোখ মুছতে দেখা যায়।

Share

আরও খবর