মেসি১৬ জুলাই, স্পোর্টস ডেস্কঃ গত রবিবারের ফাইনালে পরাজিত হয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় হতাশ লিওনেল মেসি। মেসি বলেন, আর্জেন্টিনায় কাপ না আনতে পেরে আমি খুবই হতাশ ও ব্যথিত। পেনাল্টির এত কাছে এসে এবং খুব ভালো সুযোগ থাকার পরও আমাদের পরাজয়ের কারণে আমি খুবই ক্ষুদ্ধ। গোল্ডেন বল আমি পরোয়া করি না। নষ্ট করা সুযোগ করার জন্য আমি কেবল আপসেট। গঞ্জালো হিগুয়েইন, আমি নিজে এবং রড্রিগো প্যালাসিওসহ আমাদের ভালো সুযোগ ছিল। ম্যাচে প্রাধান্য বিস্তার করতে পারব না আমরা জানতাম, কিন্তু কি করতে হবে সেটা আমরা জানতাম।

ঠিক এই মুহূর্তে আমি কিছুই পরোয়া করি না, আমার পুরস্কার না, কিছুই না। আমরা কেবলমাত্র ট্রফিটা তুলে ধরতে এবং এটা আর্জেন্টিনায় আনতে চেয়েছিলাম। এ ব্যাথা অনেক বড়। এই দলটির সঙ্গে আমার অনেক খারাপ দিন গেছে। সবকিছু পরিবর্তনের জন্য এটা আমাদের একটা সুযোগ ছিল। আরো অনেক কিছু আমাদের প্রাপ্য ছিল। তাদের পায়ে বেশি সময় বল ছিল। কিন্তু সেরা সুযোগগুলো ছিল আমাদের।

ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্র“প গোল্ডেন বলের জন্য মেসিকে নির্বাচন করে। তবে সাধারণ জনগণ এতে খুশি নন। তাদের মতে, এ পুরস্কার কলম্বিয়ার জেমস রদ্রিগেজ অথবা নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মান দলের কোনো খেলোয়াড়ের পাওয়া উচিত ছিল।

তবে মেসি বলেন, ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে নিজেই আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় এ পুরস্কার অর্থহীন বা এ পুরস্কারের কোনো মূল্য  নেই। বিশ্বকাপ জয় ছাড়া মেসি ফুটবলে পেলে কিংবা ম্যারাডোনার সমপর্যায়ে কখনই যেতে পারবেন না বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে এই বিশ্বকাপই ছিল তার সেরা সুযোগ। কেননা; রাশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ২০১৮ বিশ্বকাপে তার বয়স হবে ত্রিশের কোটায়।

ম্যারাডোনা বলেছেন, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেই মেসিকে গোল্ডেন বল দেওয়া হয়েছে। এমনকি মেসির গোল্ডেন বল পাওয়াটা প্রত্যাশা করেননি বলে স্বীকার করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটার।

ফিফা এখন হয়ত পুরস্কার বিচারের ধরন পরিবর্তন করতে পারে। সংক্ষিপ্ত তালিকায় আরো ছিলেন- রদ্রিগেজ, নেইমার, এঙ্গেল ডি মারিয়া, ম্যাটস হামেলস, টনি ক্রুস, ফিলিপ লাম, জেভিয়ার মাসচেরানো, টমাস মুলার এবং এরিয়েন রোবেন।

Share

আরও খবর