৯ নভেম্বর, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ পরমাণু অস্ত্র ত্যাগের জন্য উত্তর কোরিয়াকে প্রভাবিত করতে খুবই কঠোর পরিশ্রম করতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বিষয়ে ট্রাম্প কিছুটা অপরিচিত সুরে কথা বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার জন্য ‘চীনকে দায়ী করছি না’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু এর আগে বহুবার বাণিজ্য ঘাটতির জন্য চীনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্ট।

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে রয়েছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীদের একটি ফোরামে কথা বলার সময় উত্তর কোরিয়া ও দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালেই বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় দুই অর্থনীতির দেশের প্রেসিডেন্ট দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বেইজিংয়ে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয় ট্রাম্পকে। এ সময়ের ঘটনাবলি টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ট্রাম্পের ১২ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হয় জাপান দিয়ে। এরপর দক্ষিণ কোরিয়া হয়ে চীনে পৌঁছেছেন বুধবার। এই তিন দেশে তার আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু হুমকি মোকাবিলা ও তাদের নিরস্ত্রীকরণ প্রসঙ্গ।

প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনার সময় ট্রাম্প বলেন, তিনিও মনে করেন উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের উপায় বের করা সম্ভব। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন, পরমাণু অস্ত্র বানিয়ে গভীর বিপদ ডেকে আনছে পিয়ংইয়ং।

দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় চীনা প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করলেও বাণিজ্য ঘাটতির জন্য তার পূর্বসূরিতে দায়ী করেন ট্রাম্প। তবে এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার জন্য জিনপিংয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উত্তর কোরিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও পরমাণু কার্যক্রম বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্বেগে ফেলেছে। একদিকে, উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ তাদের মিত্রদের ওপর হামলার হুমকি দিচ্ছে অন্যদিকে, ট্রাম্প ছেড়ে কথা বলছেন না। তিনি হুংকার দিয়েছেন, কোনো হামলা হলে উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি ও রয়টার্স অনলাইন

Share

আরও খবর