২৭ অক্টোবর, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী বার্নাবি জয়েসসহ পার্লামেন্টের পাঁচ সদস্যকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করেছে দেশটির উচ্চ আদালত। নির্বাচনের সময় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার হাই কোর্ট তাদের বিরুদ্ধে এই রায় দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সংবিধানে দ্বৈত-নাগরিকদের নির্বাচনে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় নিউজিল্যান্ডেরও নাগরিক ছিলেন জয়েস। গত আগস্টে সেই নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন তিনি। তবে নির্বাচনের সময় দ্বৈত নাগরিক থাকায় তার সিনেটের সদস্যপদ খারিজ করা হলো।

জয়েসের সঙ্গে আরও চার রাজনীতিবিদ হলেন, সিনেটর ফিওনা ন্যাশ, ম্যালকম রবার্টস, ল্যারিসা ওয়াটারস ও স্কট লুডলাম। এদের মধ্যে দু’জন জুলাইয়ে পদত্যাগ করেছেন।

দ্বৈত-নাগরিকত্ব ত্যাগ করায় জয়েস চাইলে নতুন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। পার্লামেন্টের নিম্মকক্ষে নিজের আসনে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, ‘আমি আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা একটি অসাধারণ গণতন্ত্রের মধ্যে বসবাস করি, যেখানে সবার জন্য ভারসাম্য আছে, স্বাধীনতা আছে। বিচারের জন্য আদালতকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

চলতি বছরের জুলাই থেকে পার্লামেন্ট সদস্যদের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ঝড় ওঠে। অন্য দেশের নাগরিকত্ব আছে কি না, এই ব্যাপারে পার্লামেন্টের অনেক সদস্য জনসমক্ষে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বাধ্য হন।

Share

আরও খবর