৪ নভেম্বর, অনলাইন ডেস্কঃ আগামী শীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর এই শীতেই শুরু হতে যাচ্ছে ছয় সিটি করপোরেশন নির্বাচন।

স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিটি নির্বাচনে হবে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য অগ্নিপরীক্ষা। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের বিপরীতে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট। তাদের জন্য ড্রেস রিহার্সাল, মূল লড়াইয়ের আগে পূর্ণাঙ্গ মহড়া। আগামী ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি দিয়েই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের যাত্রা হচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও গাজীপুর সিটির ভোট হবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে ছয় সিটিতে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের শেষ অগ্নিপরীক্ষা হবে আওয়ামী লীগ-বিএনপিতে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে সিটি নির্বাচনে জিততে মরিয়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি। প্রস্তুত দুই দলই। চলছে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ। নগরীতেও ঝুলছে রংবেরঙের পোস্টার। মেয়র পদে দলীয় প্রতীক পেতে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের শুরু হয়েছে কেন্দ্রে দৌড়ঝাঁপ। নগরপিতার চেয়ারগুলো পুনরুদ্ধারের সর্বাত্মক চেষ্টায় আওয়ামী লীগ। আর জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় বিএনপি।

রংপুরে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারিত হলেও এখনো তফসিল ঘোষণা হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই এই সিটিতে সম্ভাব্য সব প্রার্থীর ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন, বিলবোর্ডসহ নির্বাচনী প্রচারসামগ্রী নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকাল সকাল থেকে দিনভর ভ্রাম্যমাণ আদালত সিটিজুড়ে অভিযান চালিয়ে এসব প্রচারসামগ্রী নামিয়ে ফেলে। তবে গতকাল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা গণসংযোগ চালিয়েছেন। স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, রংপুর সিটিতে অপেক্ষাকৃত স্বস্তিতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। এই সিটিতে আওয়ামী লীগকে খুব একটা বেগ পেতে হবে না। তবে অন্য আসনগুলোয় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া গেছে।

জানা যায়, আগামী বছরের মার্চ থেকে মধ্য অক্টোবরের মধ্যে ওই পাঁচ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিধিমালা অনুযায়ী মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। আর মেয়াদ হচ্ছে সিটির প্রথম সভা থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। সে অনুসারে রাজশাহী সিটিতে আগামী বছরের ৯ এপ্রিল থেকে ৫ অক্টোবর, খুলনায় ৩০ মার্চ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর, বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ২৩ অক্টোবর, সিলেটে ১৩ মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর এবং গাজীপুরে ৮ মার্চ থেকে ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ছয় সিটি নির্বাচন আওয়ামী লীগ-বিএনপির জন্য অগ্নিপরীক্ষা। এই নির্বাচনের জয়-পরাজয়ের একটি প্রভাব পড়বে জাতীয় নির্বাচনে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলো কিনা তার ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হবে নতুন নির্বাচন কমিশনের। কার্যত নির্বাচনী যুদ্ধ হবে নৌকা আর ধানের শীষের মধ্যে। রেফারি থাকবে ইসি। তাই তিন পক্ষের সামনেই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আগামী নির্বাচনগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি নতুন নির্বাচন কমিশনের জন্যও চ্যালেঞ্জ। তবে নিকট অতীতে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠু হয়েছে। এর আগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো ছিল বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা আশা করি, নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে আসন্ন সব সিটিসহ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। ’

সিটির ফলাফলের একটি প্রভাব জাতীয় নির্বাচনেও পড়বে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য দল প্রার্থী চূড়ান্ত করবে। জনগণের কাছে যারা অধিক গ্রহণযোগ্য তারাই মনোনয়ন পাবেন। আমরা খোঁজ নিচ্ছি কারা মাঠে আছেন, কার জনপ্রিয়তা কতটুকু। ’ জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল। অতীতেও স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, আগামীতেও অংশ নেবে। বিএনপির মতো একটি জনপ্রিয় দলে একাধিক প্রার্থীও আছে। তবে জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতার মাপকাঠিতে এগিয়ে থাকা নেতারাই দলীয় প্রতীক পাবেন। কিন্তু সরকার ও ইসি অতীতেও নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি। ভবিষ্যতেও পারবে কিনা সন্দেহ। ’

জয়ে আশাবাদী আওয়ামী লীগ : আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাংগঠনিক শক্তির মহড়া ও নিজেদের জনপ্রিয়তার প্রমাণ করতে চায় আওয়ামী লীগ। গোলযোগমুক্ত শান্তিপূর্ণ ভোট হলে ছয় সিটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীই বিজয়ী হবে বলে মনে করছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। তারা বলছেন, দেশের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ছয় সিটিতে নৌকার প্রার্থীকেই বিজয়ী করবে। জনগণ আর বিএনপির দুঃশাসনে ফিরে যেতে চায় না। দলের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া অথবা গোপনে প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করার মতো ভয়ও কাজ করছে ক্ষমতাসীনদের মধ্যে। দলের নীতিনির্ধারকদের মতে, সম্প্রতি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক থেকে সিলেটে সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও রাজশাহীতে সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে মাঠে নামতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা এখন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অন্য সিটিতে মনোনয়নপ্রত্যাশীরাও।

রংপুরে বর্তমান মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দলটির প্রথম পছন্দ। তিনি গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন। এবার সেখানে চলছে নতুন হিসাব-নিকাশ। এ ছাড়া এই সিটিতে আরও সাত-আট জন নেতা দলের প্রার্থী হতে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও তাদের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাও দলীয়ভাবে মনোনয়ন চাইবেন।

খুলনায় নতুন মুখ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের প্রার্থী হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। বরিশালের সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ মারা যাওয়ায় নতুন মুখ খোঁজা হচ্ছে। গাজীপুর সিটির গতবারের প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে যে কোনো একজনকে প্রার্থী করা হতে পারে।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়েই সিটি করপোরেশনে জিততে চান তারা। সিটি নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সংসদ নির্বাচনে। তখন বিরোধী শক্তিগুলো দেশি-বিদেশি মহলকে বোঝাতে সক্ষম হবে, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই এ বিষয়টি মাথায় রেখেই নির্বাচনী পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘মানুষ উন্নয়নের জন্য মহানগরগুলোতেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে। কারণ ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রতিনিধি থাকলে উন্নয়নও সঠিকভাবে হয়। ’

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘বিগত নির্বাচনগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। এজন্য প্রথমে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন এবং একাধিক প্রার্থী যেন না থাকে সেজন্য এখন থেকেই কাজ করছি। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের মাধ্যমে আমরা সিটি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই, দেশবাসী উন্নয়নের পক্ষে থাকবে। ’

দলের আরেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং খুলনা-বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আবদুর রহমান বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি সহিংসতা ও নাশকতা করতে পারে এমন তথ্য আমাদের কাছে আছে। আমরা উৎসবমুখর নির্বাচন চাই। এজন্য যা যা করা দরকার সরকার তাই করবে। ’

জয়ের ধারাবাহিকতা চায় বিএনপি : বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছয় সিটি নির্বাচনে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভোটের ফলাফল পর্যন্ত মাঠে থাকবে বিএনপি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোয় দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। দলটি মনে করে, সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ছয়টিতেই মেয়র পদে বিএনপি দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। আর এই ফলাফল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বলা যাবে, সুষ্ঠু ভোট হলে সব নির্বাচনেই বিএনপি বিজয়ী হবে। তবে ভোট ডাকাতির শঙ্কাও রয়েছে দলটির। যদি ভোট কেন্দ্র দখল করে কিংবা ভিন্ন কৌশলে কারচুপি করে ফল ছিনতাই করে আওয়ামী লীগ— তাও জনগণের সামনে তুলে ধরবে বিএনপি। জয়-পরাজয় দুটিতেই লাভ দেখছে তারা।

জানা যায়, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, গাজীপুর, রাজশাহী ও রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মধ্যে চারটিতে আগের প্রার্থীই থাকতে পারেন। বদল হতে পারে দুটিতে। এ ক্ষেত্রে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র এম এ মান্নান, রাজশাহীর মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সিলেট সিটি করপোরেশনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, খুলনার মেয়র মো. মনিরুজ্জামান মনিই আগামীতেও দলের প্রার্থী হবেন। তবে কেউ স্বেচ্ছায় নির্বাচন করতে না চাইলে বিকল্প কাউকে দেওয়া হবে। বরিশালের বর্তমান মেয়র আহসান হাবিব কামালের পরিবর্তে দলের যুগ্ম-মহাসচিব ও সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ারের নামই দলের ভিতরে-বাইরে আলোচনায় আছে। তবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের কথাও বলছেন কেউ কেউ।

সূত্রমতে, রংপুর সিটি নির্বাচনে বিগত সময়ে প্রার্থী হয়েছিলেন মহানগর সহসভাপতি কাউসার জামান বাবলা। এবারও তার নাম আলোচনায় আছে। তবে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদও শক্ত প্রার্থী হিসেবে অবস্থান করছেন। মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেনও দলের প্রার্থী হতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন। তবে মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদের পাল্লাই ভারী বলে জানা গেছে।

তবে বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা এও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির যারা প্রতিনিধি হয়েছেন তাদের বড় অংশই দলে নিষ্ক্রিয়। সরকারকে খুশি রাখতে তারা দুঃসময়ে দলকেও আর চেনেন না। এজন্য দলের নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশই তাদের ওপর ক্ষুব্ধ। অনেক এলাকায় দলীয় কর্মসূচি করতেও বাধা হন এসব জনপ্রতিনিধি।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, ‘বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল। গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপিই একমাত্র দল যারা দেশে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে। অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগ এখন আর সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। তারা গায়ের জোরেই ক্ষমতায় থাকতে চায়। স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনেই আমরা অংশ নিয়েছি। শঙ্কা জেনেও সামনের ছয় সিটি নির্বাচনে অংশ নেব। নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠু হলে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হবে। ’ কারা মনোনয়ন পাচ্ছেন— এমন প্রশ্নে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, ‘বিগত নির্বাচনের প্রার্থীরা মনোনয়ন বাছাইয়ে তালিকার ওপরের দিকেই থাকবেন। ’

Share

আরও খবর